০৮:০৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬, ৩০ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

চলনবিলে কুয়াশা ও তীব্র শীতে বোরো ধানের বীজতলার ব্যাপক ক্ষতি

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৪:০০:৫৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৩ Time View

কুয়াশা এবং তীব্র শীতের কারণে পাবনার চাটমোহরসহ চলনবিলাঞ্চলে বোরো ধানের বীজতলায় চারার ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে। চারা রক্ষায় কৃষকেরা পলিথিন দিয়ে ঢেকে রেখেছেন। গত কয়েকদিনের টানা তীব্র শীত, শৈত্য প্রবাহ এবং ঘন কুয়াশার কারণে বীজতলা পচে যাচ্ছে। প্রায় ৫০ হেক্টর জমির চারা নষ্ট হয়ে গেছে। ফলে আগামী বোরো মৌসুমে চারা সংকটের আশঙ্কা করছেন কৃষকরা।

উপজেলার হরিপুর ইউনিয়নের কৃষক আব্দুল হাই জানান, বর্তমানে আমাদের কৃষি জমিতে সরিষার আবাদ হচ্ছে। আগামী মাসে সরিষা ঘরে তোলার পর রোপন করা হবে বোরো চারা।

ছাইকোলা ইউনিয়নের কৃষক আব্দুল কাদের জানান, প্রতিবছর বোরো ধানের চারার সংকটের কারণে অনেক জমি পতিত রাখতে হয়। এবছর চার বিঘা জমিতে বীজ তলা তৈরি করেছি। কিন্তু কুয়াশা-শীতের কারণে কাঙ্খিত চারা পাবো কিনা তা নিয়ে শঙ্কার মধ্যে আছি।

হান্ডিয়াল ইউনিয়নের কৃষক মোজাহার আলী জানান, চলনবিলের প্রধান অর্থকরী ফসল ধান। কুয়াশা আর তীব্র শীতের কারণে বীজতলা পচে যায়,চারার অগ্রভাগ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ফলে এই বীজ রোপন করলে কাঙ্খিত ফসল ঘরে তোলা কঠিন হবে।

চাটমোহর উপজেলা কৃষি অফিসার কুন্তলা ঘোষ জানান, এবছর চাটমোহরে ৪’শ ৯৫ হেক্টর জমিতে বোরো ধানের বীজতলা তৈরি করা হয়েছে। কুয়াশা এবং শৈত্য প্রবাহর কারণে বীজতলা রক্ষায় আমরা পলিথিন দিয়ে ঢেকে রাখার পাশাপাশি রাতের বেলায় বীজতলায় পানি রাখার পরামর্শ দিচ্ছি কৃষকদের। এতে করে ক্ষতির পরিমাণ কম হবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

News Editor

জনপ্রিয় খবর

কোনো নিরীহ মানুষকে গ্রেপ্তার করা যাবেনা – হাবিবুর রহমান হাবিব

চলনবিলে কুয়াশা ও তীব্র শীতে বোরো ধানের বীজতলার ব্যাপক ক্ষতি

Update Time : ০৪:০০:৫৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ জানুয়ারী ২০২৬

কুয়াশা এবং তীব্র শীতের কারণে পাবনার চাটমোহরসহ চলনবিলাঞ্চলে বোরো ধানের বীজতলায় চারার ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে। চারা রক্ষায় কৃষকেরা পলিথিন দিয়ে ঢেকে রেখেছেন। গত কয়েকদিনের টানা তীব্র শীত, শৈত্য প্রবাহ এবং ঘন কুয়াশার কারণে বীজতলা পচে যাচ্ছে। প্রায় ৫০ হেক্টর জমির চারা নষ্ট হয়ে গেছে। ফলে আগামী বোরো মৌসুমে চারা সংকটের আশঙ্কা করছেন কৃষকরা।

উপজেলার হরিপুর ইউনিয়নের কৃষক আব্দুল হাই জানান, বর্তমানে আমাদের কৃষি জমিতে সরিষার আবাদ হচ্ছে। আগামী মাসে সরিষা ঘরে তোলার পর রোপন করা হবে বোরো চারা।

ছাইকোলা ইউনিয়নের কৃষক আব্দুল কাদের জানান, প্রতিবছর বোরো ধানের চারার সংকটের কারণে অনেক জমি পতিত রাখতে হয়। এবছর চার বিঘা জমিতে বীজ তলা তৈরি করেছি। কিন্তু কুয়াশা-শীতের কারণে কাঙ্খিত চারা পাবো কিনা তা নিয়ে শঙ্কার মধ্যে আছি।

হান্ডিয়াল ইউনিয়নের কৃষক মোজাহার আলী জানান, চলনবিলের প্রধান অর্থকরী ফসল ধান। কুয়াশা আর তীব্র শীতের কারণে বীজতলা পচে যায়,চারার অগ্রভাগ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ফলে এই বীজ রোপন করলে কাঙ্খিত ফসল ঘরে তোলা কঠিন হবে।

চাটমোহর উপজেলা কৃষি অফিসার কুন্তলা ঘোষ জানান, এবছর চাটমোহরে ৪’শ ৯৫ হেক্টর জমিতে বোরো ধানের বীজতলা তৈরি করা হয়েছে। কুয়াশা এবং শৈত্য প্রবাহর কারণে বীজতলা রক্ষায় আমরা পলিথিন দিয়ে ঢেকে রাখার পাশাপাশি রাতের বেলায় বীজতলায় পানি রাখার পরামর্শ দিচ্ছি কৃষকদের। এতে করে ক্ষতির পরিমাণ কম হবে।