বাংলা চলচ্চিত্রের চিরসবুজ নায়িকার স্মরণে শ্রদ্ধা
স্টাফ রিপোর্টার।
বাংলা চলচ্চিত্রের ইতিহাসে এক উজ্জ্বল ও অবিস্মরণীয় নাম—সুচিত্রা সেন। আজ কিংবদন্তি এই অভিনেত্রীর প্রয়াণ দিবস। ২০১৪ সালের এই দিনে কলকাতার এক বেসরকারি হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। প্রয়াণের এক দশকেরও বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও তার অভিনয়, ব্যক্তিত্ব ও রহস্যময় জীবন আজও দর্শক-ভক্তদের হৃদয়ে অমলিন হয়ে আছে।
সুচিত্রা সেন ছিলেন এমন এক অভিনেত্রী, যিনি পর্দায় যেমন দর্শককে মুগ্ধ করেছেন, তেমনি বাস্তব জীবনেও ছিলেন প্রচারের আড়ালে থাকা এক ব্যতিক্রমী ব্যক্তিত্ব। উত্তম কুমারের সঙ্গে তার অভিনীত চলচ্চিত্রগুলো—হারানো সুর, সপ্তপদী, দেবদাস, পথে হল দেরি, শিলালিপি—বাংলা সিনেমার স্বর্ণযুগের অনন্য উদাহরণ হিসেবে আজও সমাদৃত।
১৯৫৫ সালে দেবদাস চলচ্চিত্রে পার্বতীর চরিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি লাভ করেন সুচিত্রা সেন। তিনি ছিলেন প্রথম ভারতীয় অভিনেত্রী যিনি আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে সেরা অভিনেত্রীর পুরস্কারে ভূষিত হন। ১৯৬৩ সালে মস্কো চলচ্চিত্র উৎসবে এই সম্মান অর্জন করেন তিনি।
চলচ্চিত্র জীবন থেকে স্বেচ্ছায় অবসর নিয়ে দীর্ঘদিন লোকচক্ষুর আড়ালে থাকা সুচিত্রা সেন নিজেকে পরিণত করেন এক রহস্যময় কিংবদন্তিতে। তার এই নীরব বিদায়ও ভক্তদের কাছে তাকে করে তোলে আরও অনন্য।
প্রয়াণ দিবসে বাংলাদেশ ও ভারতের বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠন, চলচ্চিত্র অঙ্গন এবং অসংখ্য অনুরাগী শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছেন এই মহান অভিনেত্রীকে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও তার স্মরণে প্রকাশিত হচ্ছে স্মৃতিচারণা ও শ্রদ্ধার্ঘ্য।
সময়ের সীমানা পেরিয়ে সুচিত্রা সেন আজও বেঁচে আছেন তার সৃষ্ট চরিত্রে, সংলাপে ও দর্শকের আবেগে—তিনি সত্যিই এক চিরন্তন নায়িকা
Reporter Name 









