০৭:১৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

পাবনার সাঁথিয়ায় অসহায় বৃদ্ধা আলেয়া খাতুন উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে পেলেন নতুন ঘর

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৪:২৩:২৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৫ Time View

পাবনা সাঁথিয়ার ধুলাউড়ি ইউনিয়নের ক্যানেল পাড়ায় বসবাসকারী অসহায় বৃদ্ধা মোছাঃ আলেয়া খাতুন (৭৫) অবশেষে একটি নিরাপদ আশ্রয় পেলেন। সাঁথিয়া উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে তার জন্য নির্মাণ করে দেওয়া হয়েছে একটি নতুন ঘর।

জানা গেছে, আলেয়া খাতুনের পরিবারের একমাত্র সম্বল তার একমাত্র মেয়ে ও ১২ বছর বয়সী এক নাতি। আলেয়া খাতুনের স্বামী নেই। মেয়েটি স্থানীয় একটি ইটভাটায় দৈনিক মাত্র ২০০ টাকা মজুরিতে কাজ করেন। সেই সামান্য আয়ের ওপরই নির্ভর করে চলে বৃদ্ধা আলেয়া খাতুনের সংসার।

বার্ধক্যের কারণে আলেয়া খাতুন চোখে ভালো দেখতে পান না। বয়সের ভারে সোজা হয়ে দাঁড়ানোও তার জন্য কষ্টসাধ্য। দীর্ঘদিন ধরে মানবেতর জীবনযাপন করলেও মাথা গোঁজার মতো একটি নিরাপদ ঘর না থাকায় তিনি চরম দুশ্চিন্তায় ছিলেন।

উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তার অসহায়ত্বের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে নতুন করে ঘর নির্মাণ করে দেওয়া হয়। নতুন ঘরটি পেয়ে আলেয়া খাতুন আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। তিনি বলেন, “এই বয়সে মাথার উপর একটা ঘর পেয়ে আমি খুব খুশি। আল্লাহ যেন যারা আমাকে এই ঘর করে দিয়েছে তাদের ভালো রাখেন।”

স্থানীয়রা জানান, অসহায় ও দরিদ্র মানুষের জন্য এমন উদ্যোগ সত্যিই প্রশংসনীয়। তারা আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতেও উপজেলা প্রশাসন এ ধরনের মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

News Editor

কোনো নিরীহ মানুষকে গ্রেপ্তার করা যাবেনা – হাবিবুর রহমান হাবিব

পাবনার সাঁথিয়ায় অসহায় বৃদ্ধা আলেয়া খাতুন উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে পেলেন নতুন ঘর

Update Time : ০৪:২৩:২৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ জানুয়ারী ২০২৬

পাবনা সাঁথিয়ার ধুলাউড়ি ইউনিয়নের ক্যানেল পাড়ায় বসবাসকারী অসহায় বৃদ্ধা মোছাঃ আলেয়া খাতুন (৭৫) অবশেষে একটি নিরাপদ আশ্রয় পেলেন। সাঁথিয়া উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে তার জন্য নির্মাণ করে দেওয়া হয়েছে একটি নতুন ঘর।

জানা গেছে, আলেয়া খাতুনের পরিবারের একমাত্র সম্বল তার একমাত্র মেয়ে ও ১২ বছর বয়সী এক নাতি। আলেয়া খাতুনের স্বামী নেই। মেয়েটি স্থানীয় একটি ইটভাটায় দৈনিক মাত্র ২০০ টাকা মজুরিতে কাজ করেন। সেই সামান্য আয়ের ওপরই নির্ভর করে চলে বৃদ্ধা আলেয়া খাতুনের সংসার।

বার্ধক্যের কারণে আলেয়া খাতুন চোখে ভালো দেখতে পান না। বয়সের ভারে সোজা হয়ে দাঁড়ানোও তার জন্য কষ্টসাধ্য। দীর্ঘদিন ধরে মানবেতর জীবনযাপন করলেও মাথা গোঁজার মতো একটি নিরাপদ ঘর না থাকায় তিনি চরম দুশ্চিন্তায় ছিলেন।

উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তার অসহায়ত্বের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে নতুন করে ঘর নির্মাণ করে দেওয়া হয়। নতুন ঘরটি পেয়ে আলেয়া খাতুন আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। তিনি বলেন, “এই বয়সে মাথার উপর একটা ঘর পেয়ে আমি খুব খুশি। আল্লাহ যেন যারা আমাকে এই ঘর করে দিয়েছে তাদের ভালো রাখেন।”

স্থানীয়রা জানান, অসহায় ও দরিদ্র মানুষের জন্য এমন উদ্যোগ সত্যিই প্রশংসনীয়। তারা আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতেও উপজেলা প্রশাসন এ ধরনের মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে।